সীতাকুণ্ডে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস-২০১৪ পালিত

বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন ইপসা ও সায দলের উদ্যোগে এবং একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় উপজেলা মিলনায়তনে ‘‘কিশোরীর ক্ষমতায়ন: নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ” এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস’১৪ উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহীন ইমরান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আলাউদ্দীন সাবেরী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: শাহ আলম,সাংবাদিক সেকান্দর হোসাইন, ইউপি সদস্য আলেয়া বেগম, ব্র্যাক প্রোগ্রাম অফিসার অখিল কুমার, এনআরডিএ ফিল্ড কোর্ডিনেটর মো:নাজিম উদ্দীন, সিএসএস এরিয়া ম্যানেজার অনুপ কুমার ঘোষ, শিক্ষক সেলিনা সুলতানা, ইপসা সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার নুর মোহাম্মদ, গ্রামের নারী ফাতেমা বেগম, সায দলের সদস্য নুর সোলেমান, মোমেনা আক্তার এবং আমেনা বেগম। কন্যা শিশু দিবসের আলোচনা সভার সঞ্চালন করেন প্রোগ্রাম অফিসার নেওয়াজ মাহমুদ।

আলোচনার শুরুতে সায দল ও স্পন্সর ছেলে মেয়েদের দ্বারা শিশু বিবাহ বন্ধের উপর ৩টি দলে ৩টি প্রকল্প প্রনয়নও উপস্থাপন করা হয়।

আলোচনার সভার আলোচকরা বলেন, কন্যা শিশুরা শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য সেবা; আইনি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। এছাড়াও তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সহিংসতার শিকার হচ্ছে। কন্যা শিশুর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর প্রতি সকল ধরনের বৈষম্য ও সহিংসতা দূরীকরণে প্রতিটি দেশের সরকার এবং আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা বিশ্বে প্রতি ৩ জন নারী মধ্যে ১জন নারী তার জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে সহিংসতার শিকার হয়। শিশু বিবাহ এ সহিংসতার অন্যতম কারন। শিশু বিবাহরে ফলে একজন কন্যা শিশু শারিরীক, মানসিক ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়। তাই আমাদের সকলকে শিশু বিবাহ বন্ধে আরো সোচ্ছার হতে হবে। শিশুদের উপস্থাপিত প্রতিটি প্রস্তাবনা খুবই ভাল ছিল। আগামীতে শিশু বিবাহ বন্ধে তাদের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। শিশুরা যে ধরনের পবিকল্পনার কথা বলেছেন তা যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায় তাহলে সীতাকুণ্ডে শিশু বিবাহ প্রতিরোধে জনগন আরো সচিতন হবে।

বক্তরা আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য নারীকে প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে। নারীদের অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে, তাহলে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন সম্ভব হবে। নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন করতে পারলে দেশের অনেক বেশী সম্মৃদ্ধ হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি হবে। ভবিষ্যত নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নের জন্য দেশের সকল কন্যা শিশুকে আরো বেশী তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয়।

আলোচনার সভা শেষ হবার পর সায দলের সদস্যদের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে একটি র‌্যালি উপজেলা বিভিন্ন জায়গায় প্রদক্ষিন করে।

নতুন মন্তব্য যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
ক্যাপচা
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.
ক্যাপচা
ছবিতে দেখানো অক্ষরগুলো লিখুন